বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
কালকিনির সিডিখানে বোমা বিস্ফোরনে শিশু-নারী আহত কালকিনিতে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন কলাপাড়ায় হাইব্রিডদের দখলে আওয়ামীলীগের ঘর,বিপাকে ত্যাগী নেতাকর্মীরা মাদারীপুরে দুই স্বেচ্ছাসেবী কর্মীকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উজিরপুরে ডিবির অভিযানে প্রায় দুই কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিত্র নায়িকা পরিমনির সাথে ডিবি কর্মকর্তার,প্রেম সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস। মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শেখ কামালে’র জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। বরযাত্রীর নৌকায় ব’জ্রাঘাতে ১৭ জনের প্রাণহানি আগামী ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট ও শপিংমল পুনরায় চালু করা হবে বরিশালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সাংবাদিক হেনস্

বরিশালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সাংবাদিক হেনস্

পারভেজ,বরিশাল প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১ | খবরটি 
  • ৯৯ বার দেখা হয়েছে

বরিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চলাকালে সেই অভিযানের ছবি তোলার সময় ফটো সাংবাদিক শামীম আহম্মেদকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরার বিরুদ্ধে।

পাশাপাশি ওই সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা। তবে ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছে, কোনো হেনস্থা তো নয়ই বরং আমাদের সাথে পর্যায়ক্রমে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই সাংবাদিক। সোমবার দুপুরে বরিশাল নগরীর সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে এই ঘটনা ঘটে।

হেনস্থার শিকার দৈনিক যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক শামীম আহম্মেদ বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের খবর শুনে সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে যাই।

এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা অভিযান পরিচালনাকালে আমি ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা বের করার সাথে সাথেই আমি এখানে কি করছি প্রশ্ন করেন রয়া ত্রিপুরা।

এরপর তাকে আমি সংবাদকর্মী পরিচয় দেই এবং দৈনিক যুগান্তরে কাজ করি বলে জানাই।

সে আমার পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে তাও দেখাই। পাশে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর এক সদস্য আমাকে আটকও করতে চায়।

পরে আমার ভিজিটিং কার্ড চায় রয়া ত্রিপুরা। তাকে সেটা দেয়ার পর আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় ও আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

অভিযোগের বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা বলেন, নগরীর সদর রোডে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনাকালে সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে একটি দোকান খোলা দেখতে পেয়ে সেখানে যাই।

এসময় আবার তিন যুবক মোটরসাইকেলে করে কোথাও যাওয়ার সময় তাদের সিগন্যাল দিয়ে দাড়া করানো হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত চললে এমনিতেই তো মানুষের অনেক ভীর হয়ে যায়, তাই সেখান থেকে লোকজনদের সরে যেতে বলা হয়।

এসময় ওই সাংবাদিকও দাড়িয়ে ছিলেন। আমরা তো আর জানতাম না যে উনি সাংবাদিক। উনি যে ছবি তুলতে চান, রিপোর্ট করতে চান সেটা কিন্তু আমাদেরকে বলেনি। আমার সাথে প্রথম থেকেই উচ্চ গলায় কথা বলছিলেন।

এসময় আমি ওনাকে বলেছি আপনি কোর্টের সাথে এমনভাবে কথা বলতে পারেনা।

আমার সাথে অতটুকু কথাই হয়েছে। তাকে কেউ আটক করতে বলেনি, গাড়িতে ওঠার কথাও বলেনি।

উনি বরাবরই আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। কোনো মানুষকে অসম্মান করে আমরা কোর্ট পরিচালনা করিনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *